এই ফরমটি জরুরি সেবা নয় — তাৎক্ষণিক উদ্ধারের প্রয়োজন হলে উপরের নম্বরে ফোন করুন। নিখোঁজের ঘটনায় নিকটস্থ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করাও আবশ্যক।
নিবাসীদের কোনো তালিকা বা ছবি এখানে দেখানো হয় না
শিশু আইন ২০১৩-এর ধারা ২৮ অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় তত্ত্বাবধানে থাকা কোনো শিশুর নাম, ছবি বা পরিচয় প্রকাশ করা আইনত নিষিদ্ধ। তাই এই পোর্টালে নিবাসীদের খুঁজে দেখার কোনো সুবিধা নেই এবং কখনো থাকবে না। আপনি বিবরণ জমা দিলে কর্মকর্তারা অভ্যন্তরীণভাবে মিলিয়ে দেখে আপনার দেওয়া মোবাইল নম্বরে নিজেরাই যোগাযোগ করবেন।
অজ্ঞাত পরিচয় নিবাসী শনাক্তকরণে সহায়তা করুন
কোনো প্রতিষ্ঠানে থাকা পরিচয়হীন শিশু আপনার পরিচিত বলে মনে হলে এখানে বিবরণ দিন।
এই আবেদনে কোনো শিশুর ছবি বা তথ্য আপনাকে দেখানো হবে না
শিশু আইন ২০১৩-এর ধারা ২৮ অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় তত্ত্বাবধানে থাকা শিশুর পরিচয় প্রকাশ আইনত নিষিদ্ধ। আপনি যে বিবরণ দেবেন, কর্মকর্তারা তা অভ্যন্তরীণ রেকর্ডের সাথে মিলিয়ে দেখবেন। সম্ভাব্য মিল পাওয়া গেলে কর্মকর্তারা আপনার দেওয়া মোবাইল নম্বরে নিজেরাই যোগাযোগ করবেন, এবং পরবর্তী ধাপে সরাসরি সাক্ষাৎ, কাগজপত্র যাচাই ও প্রয়োজনে আদালতের অনুমতিসহ পরিচয় নিশ্চিত করা হবে। শুধুমাত্র এই আবেদনের ভিত্তিতে কোনো শিশুকে কারও কাছে হস্তান্তর করা হয় না — আইনি প্রক্রিয়া ও আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।
যে প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করতে চান
প্রথমে প্রতিষ্ঠানের ধরন বেছে নিন — এর ভিত্তিতে সঠিক আবেদনের ধাপ দেখানো হবে।
সরকারি শিশু পরিবারে ভর্তির আবেদন
পিতৃহীন বা পিতৃ-মাতৃহীন এতিম ও দুঃস্থ শিশুর জন্য অভিভাবক আবেদন করতে পারেন। দেশজুড়ে ৮৫টি কেন্দ্রে মোট ১০,৩০০ আসন রয়েছে; ভর্তির পর ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় খরচে থাকা-খাওয়া, পোশাক, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
প্রত্যয়নপত্র আগে থেকেই সংগ্রহ করে রাখুন
সরকারি আবেদনপত্রের ১৬-১৮ অনুচ্ছেদের জন্য (১) ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান/ওয়ার্ড কমিশনার, (২) উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা এবং (৩) সিভিল সার্জনের প্রত্যয়নপত্র/মতামত আগে থেকেই সংগ্রহ করে এই আবেদনের সাথেই আপলোড করতে হবে — তিনটিই আবশ্যক। অনলাইনে জমা দেওয়া মাত্রই ভর্তি নিশ্চিত হয় না — চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ভর্তি কমিটির (অনুচ্ছেদ ১৯)।
১
প্রতিষ্ঠান
২
শিশুর তথ্য
৩
অভিভাবক
৪
স্বাস্থ্য ও কাগজ
৫
পর্যালোচনা
অভিভাবকত্ব গ্রহণের প্রাথমিক আগ্রহপত্র
ছোটমণি নিবাসে থাকা শিশুর অভিভাবকত্ব গ্রহণে আগ্রহী ব্যক্তিরা এখানে প্রাথমিক তথ্য জমা দিতে পারেন।
এটি চূড়ান্ত অভিভাবকত্বের আবেদন নয়
বাংলাদেশে কোনো শিশুর আইনগত অভিভাবকত্ব একমাত্র পারিবারিক আদালত নির্ধারণ করে, "অভিভাবক ও প্রতিপাল্য আইন, ১৮৯০" অনুযায়ী। এই ফরম দিয়ে জমা দেওয়া তথ্য দপ্তরের কর্মকর্তারা প্রাথমিকভাবে যাচাই করবেন এবং আপনাকে আদালতে আবেদনের সঠিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে দিকনির্দেশনা দেবেন। এখানে কোনো নির্দিষ্ট শিশুর ছবি/নাম/পরিচয় দেখানো হয় না বা বাছাই করার সুযোগ নেই — শিশু আইন ২০১৩-এর ধারা ২৮ অনুযায়ী এই সুরক্ষা বজায় রাখা হয়; উপযুক্ত মনে হলে কর্মকর্তারাই নির্দিষ্ট শিশুর সাথে যোগাযোগ করিয়ে দেবেন।
আবেদনের অবস্থা জানুন
জমা দেওয়ার সময় পাওয়া ট্র্যাকিং কোড এবং যে মোবাইল নম্বর দিয়েছিলেন তার শেষ ৪ সংখ্যা দিন।